সুবর্ণলতা তোমার জন্য একরাশ নরম ফুলের আদর রইল। তোমার মূল্য এ সমাজের কলুষিত মননের মানুষেরা বোঝেনি,বুঝবেও না। শুধু প্রবোধ,মুক্তকেশীর মতো মানুষেরা অত্যাচার করে নিজেদের পাশবিকতা তুলে ধরবে বারবার দৈনন্দিন জীবনে হোক বা সাহিত্যের কোণায় কোণায়। খুঁজলে দেখা যাবে আজও কত সুবর্ণলতা হারিয়ে গেছে প্রবোধ এর মতো অমানবিক সন্দেহবাতিক পুরুষের লালসায়, নিজেদের পবিত্রতা ঘোষণা করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলে রেখে গেছে একরাশ প্রশ্ন সমাজের তথাকথিত প্রধান বা মুখ্য মাথা বা বুদ্ধিজীবী দের প্রতি, ভবিষ্যতেও রেখে যাবে এবং আজও যাচ্ছে। মুক্তকেশীর মতো মানুষেরা শুধুমাত্র পুরুষতান্ত্রিক সমাজের প্রতিনিধি হয়ে মেয়েদের সর্বনাশ করেই যাবে তথাকথিত নিয়মের চোখরাঙানিতে। তবুও সত্যবতীর মতো মেয়েরা প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ছিনিয়ে নেবে সংসারের বেড়াজাল ছিঁড়ে বেরিয়ে এক মুঠো খোলা বাতাস। বিশ্বাসঘাতকতার চরম শাস্তি হিসেবে দিয়ে যাবে নিদারুণ অভিমানের ঢেউ,বিচ্ছেদের গোধূলি দিয়ে চলে যাবে উপেক্ষা করে পুরুষদের চোখরাঙানিকে অগ্রাহ্য করে। অপরদিকে সুবর্ণলতার মতো মেয়েরা হাজারও চোখ রঙানি, কটুক্তি,...
শিশিরে ভেজা স্বপ্নের মতো কল্পনার রাজ্যে ভাসে কত শব্দের নৌকো। তীরে পড়ে থাকা পড়ন্ত বিকেলের সমুদ্দুরে কেবল রয়ে যায় বিদায়ের বিষাদময় সুরের ঝংকার। আর থাকে কারণে অকারণে খেলার মাঠ ছেড়ে ধুলোমাখা কিছু পায়ের ছাপ, যাদের ঘরে ফেরার সময় হয়েছে এবার। কিছু স্মৃতিমেদুর ছোট্টবেলার শিশুরা খুঁজে ফেরে আনন্দের সেই বিকেলগুলো বড়োবেলার আক্ষেপে ভরা সন্ধ্যেবেলায়।কিছু রঙহীন ক্যানভাসে অসমাপ্ত ছবির কাজ তুলিদের সাথে আর মেতে ওঠে না গল্প বলায়। মুছে দেয় না আর কত শব্দ ব্যবহার করে অনুভূতি প্রকাশ করা যায় না বলেও। হিসেবে গোলমাল হলেও মিষ্টি বকুনি জোটে না আর। জোটে শুধু একরাশ গালভরা অপমান।আর চোখের জলে গাল ভেসে গেলেও কাছে টেনে নিয়ে মুছিয়ে দেয় না কেউ, বলে না কাঁদিস না।উল্টে ভেসে আসে এসব নাটক বন্ধ কর,এসবে আর ভুলছি না ।কেউ উৎসাহ দিয়ে বলে না পারবি ঠিক দেখিস, এবারে হয়নি তো কি হয়েছে।শুধু খরচের খাতায় হিসেব হয় কত পয়সা নষ্ট হলো বলে জমানো ভাঁড়ার ভরে উঠলো না।জীবনের রঙ্গমঞ্চে এভাবেই কত মন ভাঙার সমুদ্রে মানুষের বদলে যাওয়ার ঢেউ চোখে পড়ে বারবার।কিন্তু তাদের দোষারোপ করার আগে কেউ জানতে চায় না তারা আদৌও বদলাতে চেয়...
Comments
Post a Comment